তপতী রায়ের গল্প ' শ্রীমতী মা '
শ্রীমতী মা।
তপতী রায়
"একদিন সব সম্পর্ক বন্ধ হয়ে গেল। মৃত্যু সংবাদ পেলাম।ছেলেবেলা হারিয়ে গেল। জন্মভুমি হারিয়ে গেল।মা হারিয়ে গেল।"
ভোর বেলা খুব একটা ঘুম ভাঙে না। লেট লতিফ। কোন রকমে তৈরী হয়ে অফিস ছুটি। অনেক চেষ্টা করেও ঘুম এলো না। হাত বাড়িয়ে জানলাটা খুলে দিলাম। দিনের প্রথম আলো মুখের ওপর এসে পড়ল।মনে হলো এই প্রথম সূর্য উদয় দর্শণ করলাম।অপূর্ব!
আমাদের বাড়ি শহর থেকে একটু দূরেই।চারিদিকে সবুজ গাছপালা।নীচে তাকাতেই মাকে দেখলাম। গাছের যত্ন নিচ্ছে।যেমন সংসারের সমস্ত কাজ নিখুঁত ভাবে করে।স্নান হয়ে গেছে। কোমর পর্যন্ত ভেজা চুল।সবুজ হলুদ সাধারন তাঁতের শাড়ি পরিপাটি করে পড়া।উজ্বল গায়ের রং।মুখের এখনও একটা মা্র্ধুয্য আছে।পঞ্চাশ পেড়িয়ে গেছে বোঝাই যায়না। ধীর স্থীর। অল্প ভাষী।নাম শ্রীমতী।
মনে হলো মাকে যেন আজ প্রথম আবিস্কার করলাম।পরম নিশ্চিন্ততার আশ্রয় থেকে বেড়িয়ে কখন যে স্বাবলম্বি হয়ে বাইরের জগতে পা দিলাম নিজেই বুঝতে পারলাম না। মাকে যেন ঠেলে ফেলে এলাম শূন্য ঘরে।নিজের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেল, মা যেন হারিয়ে গেল।ঠিক আমার কথাটি ফুরলো নটে গাছটি মুরোল। কাগজের পাতা উল্টোলেই নারী উন্ননয়ের কথা শোনা যায়,নিজের ঘরে ফিরে তাকালে সব ফাঁকা।যা পাবার পাওয়া হয়ে গেছে।আমার ব্ন্ধু রাজ, এক সাথেই স্কুলে পড়ত। ছোট থেকে দুষ্টু প্রকৃতির। কোন রকমে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে কলেজ ছেড়ে দিল।রাজনীতিতে যোগ দিল। মাঝে কিছুদিন জেল খেটে এলো।এখন অন্য দলে যোগ দিয়েছে।বিল্ডার হয়েছে।আমাদের পেছনের জমিটা নেবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল।জেঠুর কথায় সরে দাঁড়াল। বাবা নেই। মা যে কি কষ্ট করে বড় করে তুলেছে চোখে দেখা।মদ খেয়ে মার ওপর অত্যাচার। আমরা বন্ধুরা বহু চেষ্টা করেও কিছু করতে পারলাম না।মাকে বৃদ্ধা আশ্রমে দিয়ে, পাঁচতলা ফ্ল্যাট বাড়ি বানিয়ে ফেলল। মনে মনে ভাবি মায়েদের বোধহয় কোন ঘর হয় না। বাপের ঘর, স্বামীর ঘর, তারপর ছেলের ঘর।সত্যি বলছি, বৃদ্ধা আশ্রম হয়ে ভালো হয়েছে।
মা পুজোর ফুল তুলে ভিতরে চলে গেল।এবার পুজোর ঘরে ঢুকবে। মায়ের পুজো একেবারে অন্য রকম।ফুল দিয়ে দেখার মতো আল্পনা দেয়। দারুন মালা গাঁথে।বাড়ির সব ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়।এর পেছনে একটা বড় কারন আছে।খাবার টেবিলে বড় সরো আলোড়ন তুলে ছিলাম অসময় ঘুম ভাঙার জন্য।বাবা এবং আমি।আজ দরজা খুলে দিলাম। হারমোনিয়াম এর সুর ভেসে এলো। সঙ্গে মার মধুর কন্ঠের স্বর, “খেলা ঘর বাঁধদে লেগেছি”। বহু বছর আগে মা এর স্কুলে এই গানটাই গেয়ে ছিলাম। সাধারন স্কুল।মধ্যবিত্তের ছেলে-মেয়েরা পড়ে। আমি তো কলকাতার নামী স্কুলের ছাত্র।বাবাও সেদিন গিয়েছিল। বাবা তখন অন্য রকম, আমার গানের অন্যদের সাথে খুব প্রশংসা করে ছিল। যতক্ষন বাড়িতে থাকতো প্রতিটি কাজে মাকে প্রয়োজন হতো।ছুটি থাকলেই তিন জনে বেড়িয়ে পরতাম।
এক-পা এক-পা করে সিড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে মানুষ কত বদলে যায়।শ্রী...শ্রীমতী আর শোনা যায় না।ভেতরে ভেতরে তাদের মধ্যে গভীর লড়াই চলছে। বুঝতে পারতাম।ভাবতাম, মা হয়তো বাবার সাথে পা মিলিয়ে চলতে পারছেনা।মাঝে মধ্যে বাবা দেশে বিদেশে ডাক্তার, লেডি ডাক্তারদের সঙ্গে হৈহৈ করে বেড়াতে চলে যেত। অনেকের মিসেস যেত। মাকে যেতে দেখেনি। বাবার কাছ থেকে হয়তো কোন রকম আমন্ত্রন আসেনি কিংবা মা যেতে চাইত না।আমি তো সেই রকম ভাবতাম। মনে হতো মা বোধহয় বাবার সোসাইটি কে মেনে নিতে পাড়ছেনা। কোনদিন প্রতিবাদ করিনি।যখন প্রতিবাদ করিনি বাপ-বেটা একই সুত্রে বাঁধা।
ছেলে বেলা থেকে মা পড়াত। বরাবর দশের মধ্যে থাকতাম।একবার রেজাল্ট খারাপ হবার জন্য মাকে আমার পড়া শুনোর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো। নতুন টিউটর এলো।তবু মা প্রতিদিন আমার খাতায় ভুল সংশোধন করত। একদিন স্যার জিজ্ঞেস করে ছিলেন, ‘এই নিবন্ধটি কে লিখেছেন?বললাম, “মা”। খুব সুন্দর,যেমন বাংলা, তেমনি ইংরাজি, মার কাছে পড়লেই পাড়তে।মার চেয়ে বড় গুরু কেউ আছেন’?চুপ করে রইলাম’।সবে বড় হচ্ছি,বোঝা না বোঝার মাঝ পথে।সংসার এত জটিল জানতাম না।ছেলে বেলা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।গানটা শেখা হলোনা। বাবার পছন্দ ছিলনা।গান গাইলেই বলত, ‘এক কাজ করো,ওকে ওর মামার বাড়ি বোলপুড়ে পাঠিয়ে দাও, তোমার মতো প্রাইমারি স্কুলের টিচার হবে; সঙ্গে নাচটা শিখলে আরও উত্তম’।আমি কিন্তু ছেলে বেলা থেকেই সাহিত্য অনুরাগী।পরিবারের সবাই তিন পুরুষ ধরে ডাক্তার, মনে মনে ভাবতাম ডাক্তার বোধহয় আমাকে হতেই হবে।আস্তে আস্তে মায়ের আঁচলের তলায় বড় হয়ে গেলাম। আস্তে আস্তে আমার, মার ও বাবার দূরত্ব একটু বেশি হয়ে গেল।বাবা সংসার থেকে একটু বেশি উদাসিন।এক সাথে ব্রেকফাস্ট বলতে গেলে ভুলেই গেলাম।।ভাবতাম ডাক্তার হোলাম না বলে হয়তো বাবার অভিমান। অনেক দিন বাদে বাবাকে দেখলাম খাবার টেবিলে নিউজ পেপার নিয়ে নড়াচাড়া করছে।
আমি মার সাথে সোজা রান্না ঘরে ঢুকলাম। মা যেমন করে সকালের ব্রেকফাস্ট এর টেবিল সাজায়, সাজিয়ে ফেললাম।মা আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে বলল, ‘তুই কি বিয়ে-টিয়ে করছিস, আগে থেকে অভ্যাস শুরু করে দিলি’। করতেই পারে!‘ও, তো তোমার মতো রাঁধুনি নিয়ে আসবে না, কথাটা বাবা মাকে শুনিয়েই বলল’।এই প্রথম বাবার কথার ওপর কথা বললাম, ‘মা কিন্তু ছোট বড় যাই হোক একটা স্কুলে কাজ করে। যা বেতন পায় তাতে মার লাইফ স্টাইলে বেশ ভালো করেই কেটে যাবে’।হাসতে হাসতে বাবাকে বললাম, ‘আজ থেকে দশ বছর আগের এ্যালবাম গুলো বার করি’!বাবা একটু থতমত খেয়ে গেল।এতটা আশা করেনি।মাকে উদ্দেশ্য করে বলল, দশ দিনের মতো বিদেশ যাচ্ছি। টাকা চেকবই আলমারিতে রইল।-- বাবা প্রসঙ্গটা ঘুরিয়ে বলল, “কবে বিয়ে করছিস”?-“সময় মতো সব বলব”উঠে গেলাম।
অফিস যাবার ব্যস্ততায় টেবিলে রাখা ম্যাগাজিনটা নিচে পড়ে গেল।মৌমিতার ছবি ছিটকে পড়ল দরজার বাইরে।জিনস্ এর প্যান্ট, ব্লাক টপ। ছোট ছোট চুল। আজ ছবিটা একটু ভালো করে দেখলাম।সুন্দরী নয়,তবে ভীরের মধ্যে চোখে পড়ে।আমার ভাষায় চুড়ান্ত আধুনিকা তরুনী। চলা,বলা,ড্রেস সব মিলে গ্ল্যামার দারুন! মাঝে মাঝে আমার সিগরেটা টেনে নিয়ে চোখ বন্ধ করে ভালো মতো টান দেয়। শনিবার দুপুরের লাঞ্চ এ আমার সাথে বিয়ারও বেশ ভালোই খায়। ভাবি আধুনিক নারীর কাকে বলে, ডেফিনেসানটা কি একটু বুঝিয়ে বলি; না থাক! এতটা এগিয়ে যাওয়া উচিত নয়। বিয়ের ব্যাপারে তেমন কোন কথা গভীর ভাবে আলোচনা হয়নি।তবে অনেক বারই বলতে শুনেছি বিয়ের পর নিজের লাইফ স্টাইল কোন রকম চেঞ্জ করবেনা|
“যে লাইফ পা্র্টানার হবে তাকে সব কিছু শেয়ার করতে হবে। আর্থিক দিক থেকেও দুটি পরিবারের দেখাশোনার ভার দু’জনকে নিতে হবে। স্বামী-স্ত্রী কাজ কর্মের মধ্যেও ফিফটি ফিফটি”। মনে মনে ভাবলাম, ‘আমি যদি বিছানায় চাদর বিছাই ও, বালিশের ওয়ার পড়াবে’।আমার বন্ধু রাঘব শুনে বলেছিল, “তুই ওকে যদি বিয়ে করিস সিলিপিং পা্র্টানার হবি।তোর বাপের তো টাকার অভাব নেই। বেকার ফিফটি ফিফটি! বিয়ে তো নয় পুরো পুরি ব্যবসা”।
একদিন আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে এয়ারর্পোট ছাড়তে গিয়ে দেখি বাবা আর ডাক্তার ডলি আন্টি এয়ারর্পোট এর মধ্যে ঢুকে গেল।সকালেই শুনে ছিলাম বাবার একটা সেমিনার আছে। লন্ডন যাচ্ছে। গাড়ি ঘুরিয়ে বাড়ি চলে আসছি, মায়ের মুখখানা মনে পড়ে গেল। গাড়ি থেকে নেবে খোঁজ নিয়ে জানলাম দু’জনে সিঙ্গাপুর যাচ্ছে।জ্যেঠুকে ফোন করলাম। ডলি আন্টি জ্যেটুর বন্ধুর মেয়ে। বাবার চেয়ে বেশ কিছু ছোট।দু’বার বিচ্ছেদ হয়ে গেছে।ফোন করলাম জ্যেঠুকে, “জানাল বহুবার বুঝিয়েছে; ব্যক্তিগত ব্যাপারে কথা বলতে বারণ করেছে।নারসিং হোম এর সকলেই জানে”।-- মায়ের মুখ চেয়ে আমাদের সাঙ্গে কোন রকম আলোচনায় বসতে পারেনি। মনে হলো অনেক কিছু এক সাথে হারিয়ে গেল।
বাড়ি ফিরে দেখলাম মা গেস্ট রুমে। বেশ কিছুদিন ধরে দেখছি মাকে গেস্ট রুমে শুতে।আস্তে করে দরজা খুললাম। মার পছন্দের সমস্ত জিনিষ পত্র বেড রুম থেকে এখানে এসে গেছে। পছন্দের অর্গান। দাদু দিয়েছিল। দেওয়ালে শ্রী্অরবিন্দ ও শ্রীমা এর ছবি। মোবাইলে এ শ্রীমার অর্গন বাজছে।ছোট্ট একটি কাশ্মীরি টেবিলে পন্ডিচারীর তৈরী কাঁচের ল্যাম জ্বলচ্ছে। মা অকাতরে ঘুমচ্ছে। লম্বা বেনী মাঠিতে লুটচ্ছে।ইচ্ছে হলো মোবাইল বন্ধ করে আলো নিভিয়ে যাই,পারলাম না। এই শান্তি টুকু নষ্ট করতে! ঠিক করলাম, বাবা আসার আগেই মাকে নিয়ে দিল্লি চলে যাব। অনেক দিন থেকেই কথা চলছে বদলির। মৌমিতাকে নিয়ে একটু দোনা মোনায় ছিলাম।ওর চিন্তা ধারা আমার বিপরিত। কিছু দিন লিভটুগেদার, তারপর বিয়ে। ওর অনেক আনুরোধ রাজি হতে পারিনি।বহুবার বিদেশ ট্যুরে আমার সাথে যেতে চেয়েছিল। ওদের বাড়ি থাকার জন্য অনেক বার অনুরোধ করেছে।ঠিক সময় মতো কাটিয়ে এসেছি।বঙ্গ সন্তান!ছেলে বেলার মধ্যবিত্ত মন ভুলে যাওয়া বড় মুস্কিল। তার চেয়ে বড় কথা যে মায়ের আ্ঁচলের তলায় বড় হোলাম, সে একজন সম্পূর্ন নারী। শ্রীমতী মা! আমার মা সকলের মা।
মার আর ঘুম ভাঙল না। জ্যেঠু এলো, বলল, হা্র্টফেল করেছে।জ্যেঠু বাবার চেয়ে নামী ডাক্তার অমল বোস।বাবা কমল বোস। দাদু ছিলেন ডাক্তার পরিমল বোস।তাঁর বাবা ছিলেন রায়বাহাদুর উপেন্দ্রনাথ বোস। উত্তর কলকাতার বনেদি বোস পরিবারের সকলেই ডাক্তার। কেবল আমি ছন্নছাড়া গান গাই আর পড়াই।উজ্জল বোস ইংরাজির অধ্যাপক। গভেষনা করছি। মার মৃত্যু আমার কাছে রহষ্য হয়ে রয়ে গেল।হয়তো সব কিছু চিন্তা করে জ্যেঠুর শেষ বিচার।
বাবার সাথে আমার আর দেখা হয়নি। দুটো দিন বন্ধু রাঘবের সাথে শ্মশান ঘাটেই ছিলাম।সব কিছু শেষ হবার কিছুদিন পড়েই লন্ডন চলে আসি।আসার সময় শুনে এসেছিলাম রাঘব ক্যানসারে আক্রান্ত।কেমো চলছে।ফোনে প্রতিদিন কথা হতো। একদিন কথা বন্ধ হয়ে গেল। ছোট্ট ছোট্ট ম্যাসেজ আসতো।বাবার খবর পেলাম, ডলি আন্টিকে বিয়ে করেছে। আট মাসের মাখায় দুটি যমজ ছেলের জন্ম দিয়েছে। একদিন সব সম্পর্ক বন্ধ হয়ে গেল। মৃত্যু সংবাদ পেলাম।ছেলেবেলা হারিয়ে গেল। জন্মভুমি হারিয়ে গেল।মা হারিয়ে গেল। মন খারাপ হলেই এই কবিতাটা পড়তাম।
ANNE M. WALSCH
Who not only taught me that God exists,
but opened my mind to the wondrous truth
that God is my best friend;
and who was far more then a mother to me,
but gave birth in me
to a longing for and a love of God,
and all that is good.
Mom was my first meeting with an angel.
বয়স আটের ঘরে ছুঁই ছুঁই। বাইরে সাদা বরফের চাদর।একজন বৃদ্ধা মাখায় কালো টুপি সাদা বরফে ঢাকা । হাতে লাঠি। মাঝে মাঝে মাথা নড়িয়ে বরফ ফেলছে। প্রতিদিন যায় একিই সময়। হাতে বেশ কিছু সারা দিনের খাবারের জোগার। চোখা চোখি হলে মাঝে মাঝে হাত নাড়ে।আমিও করি। সবাই সবাইকে চেনে। কথা নয়। কেবল হাত নাড়া। মাথা নাড়া।শেষ বেলায় কিন্তু সবাই আসে। হাতে ফুল নিয়ে। প্রার্থনা করে আত্মার শান্তি কামনা। চলে যায়। আমার সময় নিশ্চয় আসবে। আর একজন আসবে আমার মা!বয়স হলে এই বিশ্বাস দৃঢ় ভাবে মনে গেঁথে যায়। অবচেতন মন সারা দিন সব কিছুর মধ্যে মনে হয় মাকেই চায়! সে নিশ্চয় আসে।মাকে মাঝে মধ্যে দেখি।ছায়া কি মায়া জানিনা। হয়তো সারা বিশ্বের কোটি কোটি মা নীরব। এই ভাবে ভেসে আসে, ভেসে চলে যায়। পৃথীবির সব মাকে বলি, “ইতিহাস কি ভুলে গেলে, মা শক্তিদায়নী! দূর্গা চন্ডী! শান্তিরুপেণ সংস্থিতা! ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণ অক্ষরে লেখা। সত্যি করের মা হও, সত্যি করের পরিচয় রেখে যাও! তুমি মা! কেবল মাত্র “শ্রীমতি মা”!
____________________________________________
লেখক পরিচিতি: তপতী রায়ের জন্ম-জামসেদপুরে। লেখা ও সাহিত্য চর্চা ওনার নেশা। লেখা ওনার অবসর সময়ের বন্ধু। নাচ,গান, আবৃতি,নাটক, এবং লেখার জন্য বিভিন্ন মহিলা ক্লাবের সদস্য ছিলেন। বেশ কিছু পত্র পত্রিকায় ইতিমধ্যে লেখা প্রকাশ করেছেন । কোন নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে উনি লেখেন না । উনি মনে করেন মন যা বলতে চায় , বিবেক যা চায় তাই লেখেন। ওনার লেখা প্রশ্ন করে মানুষ কি নিয়ে বাঁচে? এবং এই প্রশ্নের উত্তর অনেক সময় সূর্যোদয় আর অফুরন্ত আশা দিকে নিয়ে যায়।
Comments
Post a Comment