শুক্লা বসুর প্রবন্ধ : কন্যা, জায়া, মাতা সমাজের যূপকাষ্ঠে হয়ে আছে বাঁধা।
যে কোন মানুষই নিজের আত্মজীবনীতে জীবনের সব ঘটনা লেখেন না। নিজের জীবনের সব ঘটনা ও কার্য্যকারণ মনে মনে বিশ্লেষণ করে নিজেই নির্বাচন করেন জীবনের কোন কোন ঘটনা আত্মকথায় উপস্থাপন করবেন। তিনি জনমানসে নিজের সেই সত্তা প্রকাশ করেন যা তিনি নিজের সম্বন্ধে ভাবেন, বা নিজের সত্তা বা ব্যক্তিত্বকে পাঠকের সামনে তুলে ধরতে চান।
উনবিংশ শতাব্দীতে স্ত্রী শিক্ষা আন্দোলন ও বেথুন স্কুল স্থাপনের ফলে স্ত্রীলোকদের চেতনার জাগরণ ও মানসিক পরিবর্তন হতে শুরু করে যার ফলে পত্রিকায় স্ত্রীলোকেরা নিজের সমস্যা ও চিন্তাভাবনার কথা লিখতে আরম্ভ করে। আবার কিছু সংখ্যক মহিলারাও নিজেদের জীবনের কথা ও অভিজ্ঞতা স্মৃতিকথায় ও আত্মকথায় প্রকাশ করতে থাকেন। আত্মজীবনী রচনা সমাজের গণ্ডির মধ্যে নির্দিষ্ট বিকশিত হয়। তাই আত্মজীবনীতে সমকালীন সমাজ চিত্রের আভাসও থাকে। সেই সময়ের সমাজ ও সংস্কৃতি বুঝতে পাঠককে সাহায্য করে।
শ্রীমতি আমোদিনী দাশগুপ্ত (১৮৭৩- ১৯৩৯)
"আমার জীবন কাহিনী" নামে একখানি আত্মজীবনী লিখেছিলেন। বাল্যকাল ও বিবাহিত জীবনে কন্যা, স্ত্রী ও মাতার রূপে পরিবার ও তথা সমাজের মধ্যে জীবন কাটাতে কিরকম অভিজ্ঞতা হয়েছিল তা লিখেছেন। প্রথমে বাল্যকাল -কন্যারূপে-আমোদিনী লিখছেন-
" আমি কোনো সম্ভ্রান্ত লোকের কন্যা।[…] প্রাচীন নিয়ম অনুসারে আমার মাতাকে কৌলিন্য করিয়া পিতৃগৃহে রাখা হয়। এই জন্য আমরা আমাদের মাতুলালয়ে জন্মিয়াছি এবং প্রতিপালিত ও বর্ধিত হইয়াছি। আমার পিতাও মাতুলের সংসারে প্রতিপালিত হইতেন।[…] আমার মাতুল জমিদার ছিলেন। আমার দশ বছর বয়সের সময় আমার মাতুলের জমিদারী সব দেনার দায়ে নিলাম হইয়া যায়। আমাদিগকে ভরণপোষণে মামা অশক্ত হন। কাজেই মা পৃথকভাবে মামাবাড়িতে থাকেন। এই সময় হইতে আমার নানা স্থান হইতে বিবাহের সম্বন্ধ আসিতে থাকে।“ (দাশগুপ্ত: পৃষ্ঠা ৬৪)
প্রাক স্বাধীনতা যুগে হিন্দু সমাজে নারী জীবনে বিবাহ ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। কুলীন প্রথার মতন সামাজিক রীতিনীতি নারী জীবনে কিরকম ভাগ্যবিড়ম্বনা আনতে পারে তার প্রামানিক আলেখ্য হল নিস্তারিণী দেবীর "সেকেলে কথা" নামক আত্মকথা। আমোদিনী দেবীর পিতার কোন উপার্জন ছিল না। কৌলিন্যের জোরে বিবাহ করে আমোদিনী দেবীর মামার সংসারে ভরণ পোষণ পেতেন। মামার আর্থিক দুরাবস্থা হওয়ার পর আমোদিনী দেবীর মা অর্থের জন্য কন্যাপণ নিয়ে মেয়ের বিয়ে দেন। আমোদিনী দেবীর বিবাহ কিরূপ পাত্রের সঙ্গে ঠিক হয় তাহার বর্ণনা তিনি দিয়েছেন,
"বরের বয়স তেতাল্লিশ বৎসর, তিনি পরপর তিনটি বিবাহ করিয়াছিলেন। প্রথম পক্ষের দুই ছেলে। দ্বিতীয় পক্ষের কিছু নাই ,আর তৃতীয় পক্ষের এক মাসের একটি ছেলে।" (পৃষ্ঠা ৬৫)
কেন এইরকম বয়স্ক চতুর্থ পক্ষের পাত্রের সঙ্গে বিবাহ ঠিক হয় তার কারণ লেখিকা নিজেই লিখেছেন-
" আমার মা টাকা বড় ভালোবাসিতেন। আমার যে সময় সেই সময় মেয়ে বেচিয়া টাকা লইবার নিয়ম ছিল। কুলীনের মেয়ে হইলে তো কথাই ছিল না। আমি কুলীনের মেয়ে তাহাতে চতুর্থ পক্ষে আমাকে দিয়া তো প্রচুর টাকাই পাইবার আশা।বিশেষত আমি সুন্দরীও ছিলাম। আমার মা লোভ সংবরণ করিতে পারিলেন না। আমার এই চতুর্থ পক্ষের বরের সঙ্গে বিবাহ ঠিক করিলেন।" (পৃষ্ঠা ৬৫)
এরপর আমোদিনী লিখেছেন-" এক হাজার টাকা পণ লইয়া আমার মা এগারো বৎসরের মেয়েকে তেতাল্লিশ বৎসর বয়সের চতুর্থ পক্ষের বরের নিকট বিক্রি করেন। ১৯ শে জ্যৈষ্ঠ আমার শ্বশুরবাড়ি বসিয়া বিবাহ হইয়া যায়।" (পৃষ্ঠা ৬৬)
এরপর তিনি লিখেছেন যে, "বিবাহের নয় দিনের দিন স্নেহময় পিতা আমাদের মায়া পরিত্যাগ করিয়া পরলোক গমন করিলেন। আমি পিতৃহীন হইলাম। .আমার জীবনের নাট্যশালার অভিনয় আরম্ভ হইল।" (পৃষ্ঠা ৬৬)
বিবাহিত জীবন ও শ্বশুরবাড়ি
আমোদিনী দেবীর বিবাহ হয় চন্দ্রকুমার কবিভূষণের সঙ্গে। চন্দ্রকুমার ত্রিপুরার মহারাজা, রাধাকিশোর মানিক্য ও বীরেন্দ্র কিশোর মানিক্যের রাজবৈদ্য ছিলেন। তিনি ত্রিপুরা রাজবংশের ইতিহাস বাংলায় ও রাজ্যাভিষেক পদ্ধতি সংস্কৃত রচনা বা রচনায় সহায়তা করেন। তার পৈতৃক নিবাস ছিল গৈলা গ্রামে। প্রাক স্বাধীনতার যুগে পূর্ব বাংলার এই গ্রাম বাখরগঞ্জ জেলার গৌর নদীর থানার অন্তর্গত ছিল।
আমোদিনী দেবী নিজ বিবাহিত জীবনের কথা বলতে গিয়ে লিখেছেন-
" আমার স্বামী আগরতলা রাজধানীতে কবিরাজি করতেন মাসিক বেতনে। দুই বৎসর তিন বৎসর পর তিনি বাড়ি আসিতেন। […] আমার স্বামী বিদ্বান, বুদ্ধিমান, জ্ঞানবান ও রূপবান সত্য[...] কিন্তু[…] তাহাকে দেখলেই আমার মনে কেমন ভীতির সঞ্চার হইত। বিছানায় শুইতে গেলে চক্ষু মুদিয়া থাকিতাম।[…].স্বামীর নিকট লাঞ্ছিতা হইতাম। পরিবারবর্গ যাহার যা ইচ্ছা সে তাহা বলিত। "(পৃষ্ঠা ৬৭)
বিবাহের আট মাস পর স্বামী তাহার কর্মস্থল ত্রিপুরায় চলে যান কিন্তু আমোদিনী দেবী শ্বশুরবাড়িতে থেকে যান। তিনি কিভাবে শ্বশুরবাড়িতে জীবন কাটিয়েছেন তাই লিখেছেন-
" আমার ছোট জা আমার উপর প্রভুত্ব খাটাইতে আরম্ভ করিলেন I (পৃষ্ঠা ৬৮)
''দেবর[...] কোনো সময় আমাকে গালাগালি করিতেন" (পৃষ্ঠা ৬৯)
“বাড়ির কর্তা ছোট দেবরও আমাকে বৎসরে দুই জোড়া [কাপড় দিতেন।] পূজার সময় একজোড়া, বৈশাখ মাসে এক জোড়া I” (পৃষ্ঠা ৬৮) দুই জোড়া কাপড়ে আমোদিনীর কোনো মতেই বৎসর যেত না। তিনি লিখেছেন অনেক সময় ছেড়া কাপড় পড়তে হতো
সংসারে প্রচুর কাজ ছিল, সমস্ত দিন খাটিতাম তথাপি […] গালি খাইতাম। […] (পৃষ্ঠা ৬৯)ঘরে ভালো খাদ্যবস্তু আসিলে আমি তাহা পাইতাম না। যদি কখনো কাহারো পাত্রে অবশিষ্ট কিছু থাকিত তবে তাহাই আমার ভাগ্যে জুটিত। নচেৎ ডাল ভাত কি শুধু ভাতই আমার নিয়মিত খাদ্য ছিল […] এইভাবে বিবাহের পর চারিবৎসর অতীত হইয়া যায় ।" (পৃষ্ঠা ৭৬)
আমোদিনীদেবী বিশাল যৌথ পরিবারের বধূ ছিলেন। স্বামীর কর্মস্থল ত্রিপুরার বাসায় সব সময় যৌথ পরিবারের দেবর, দেবর পুত্রগণ, অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন, স্বামীর ছাত্র ও স্বামীর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা কেউ না কেউ থাকত। সেই কারণে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনদের দাবি, আবদার, অত্যাচার ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে হত। তিনি বহু সন্তানের জননী ছিলেন। দুই শিশু পুত্রের মৃত্যু শোক পেয়েছেন। সারাদিন সংসারে কাজ, শিশু সন্তানের অসুস্থতার মধ্যে কিভাবে সংসার জীবন যাপন করেছেন তার বর্ণনা যে কোন পাঠককেই যন্ত্রনা দেয়।
তিনি লিখেছেন-
“ স্বামী বাসা হইতে যাওয়ার পর বাসায় এতো অশান্তির আগুন জ্বলিল যে দিবারাত্র আর কাঁদিয়া কাটাইতে হইতো । “ (পৃষ্ঠা ৭৬)
" হিংসা বশবর্তী হইয়া দেবরপুত্রগণ যাহা মুখে আসিত তাহাই আমাকে বলিতে লাগিল[…]এমনকি শাশুড়ি পর্যন্ত ভালো করিয়া আমার সঙ্গে কথা বলিতেন না, আমার ছেলেমেয়েদিগকে কেহ কোলে করিত না।“(পৃষ্ঠা ৭৬)
এইভাবে তিনি সন্তানদের নিয়ে কখনো ত্রিপুরার বাসায় আবার কখনো শ্বশুরবাড়িতে জীবন কাটিয়েছেন। তিনি তার দুই মেয়েকে বাল্যকালে বিবাহ দেন। কিভাবে তিনি বিবাহের জোগাড় যন্ত্র করেন তার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। স্বামী অর্থ উপার্জন করলেও তাকে অর্থাভাবের মধ্যে দিন কাটাতে হয়েছে। যৌথ পরিবারের ঝগড়া ও অশান্তির ফলে আমোদিনীর স্বামীর সাথে সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে। তিনি লিখেছেন-
" আমার স্বামী কুমিল্লায় যান ও সেখানে দু'মাস থাকেন। [...]স্বামী যখন বাসায় আসিলেন তখন [শাশুড়ি ঠাকরুন ]তাহার নিকট […] নানা কথা বলিল, যে সেই হইতে স্বামীর আমার প্রতি যে একটা বিরক্ত ভাব জন্মিলো বলিতে গেলে তাহা আমরণ বহমান রহিল ।.স্বামী এখন হইতে কারণে অকারণে আমার প্রতি কঠোর ভাব প্রকাশ করিতেন। " (পৃষ্ঠা ৯০)
এরপর আমোদিনী আরও লিখেছেন," লোকে মনে করিত আমার বৃদ্ধ স্বামীকে আমি তুচ্ছ করি। তাই আমাদের মনোমালিন্য। ভগবান জানেন আমি আমার বৃদ্ধ স্বামীকে কত ভালোবাসিতাম ও কত ভক্তি করিতাম। " (পৃষ্ঠা ৯১)
এইভাবে স্বামী ও স্ত্রীর সম্পর্ক ক্রমাগত খারাপ হতে থাকে। আমোদিনী স্বামীকে যে কতটা ভক্তি করতেন সেটা তিনি লিখেছেন,
" আমি আসিয়া তাঁহার পাতে বসিয়া খাইতাম। স্বামীর পাতে বসিয়া ভাত না খাইলে আমার খাওয়া তৃপ্ত লাগিতো না। "(পৃষ্ঠা ৯৩)
আমোদিনীর স্বামীর সাথে ক্রমশ সম্পর্কের দূরত্ব তৈরি হতে থাকে। তিনি লিখেছেন, "এক ঘরে দুজনে থাকিব অথচ কেউ কারো সঙ্গে কথা বলিব না। এমতাবস্থায় কিভাবে যে থাকিতে পারা যায় তা পাঠক পাঠিকাগণ বুঝিতে পারেন।" (পৃষ্ঠা ৯৩)
তিনি নিজের মনের অবস্থার কথাও লিখেছেন, "স্বামীর ভাবে আমার মনেরও অভিমান হইয়াছিল। মনে করিতাম স্বামী না ডাকিলে আমিও কথা বলিব না। " (পৃষ্ঠা ৯৩)
ইভাবে দু-তিন বছর কাটার পর আমোদিনী নিজের মানসিক শান্তির জন্য নিজের জগত তৈরি করে নিলেন। তিনি লিখেছেন, " লোকে বলে অগতির গতি স্বয়ং ভগবান, সে কথা ঠিক। এই সময় ভগবানের কৃপায় আমার কল্পনা করিবার একটি শক্তি জন্মিলো। […]কল্পনা দেবীকে নিয়া বসিতাম। সে যে কি সুন্দর তাহা আর কি বলিব? এই কল্পনাদেবীর প্রসাদে আমার সকল অশান্তি দূর হইল। সাংসারিক কাজ সারিয়া একবার অবকাশ পাইলেই শান্তিদায়িনী কল্পনাকে নিয়ে বসিতাম। অনেক সময় কাজ করিতে করিতে কল্পনা করিতাম । কল্পনায় কত যে গড়িতাম আর কত যে ভাঙিতাম তাহার ইয়ত্তা ছিল না। হায়! আমি যদি লিখিতে জানিতাম, তবে আমি যাহা কল্পনা করিতাম তাহা একখানি খাতা বোঝাই করিয়া লিখিতাম।"(পৃষ্ঠা ৯৪)
মহিলাদের আত্মকথার সাহিত্যিক মূল্য কতখানি তা আমি ঠিক বলতে পারবো না। তবে মহিলাদের দ্বারা লিখিত আত্মজীবনীগুলি সমাজে ও সংসারে মহিলাদের অবস্থান ও মর্যাদা বুঝতে সাহায্য করে। “ব্যক্তি মানসের উপর লিঙ্গ বৈষম্য ও লিঙ্গ বিভাজনের রাজনীতির খেলা ধরা পড়ে এই আত্মজীবনী গুলির মধ্যে।“ (বাগচী :পৃষ্ঠা ৮)
বেথুন স্কুল স্থাপিত হয়েছে ১৮৪৯-৫০ সালে। বামাবোধিনী পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছে ১৯৬৩ সালে। আমোদিনী যে সময় জীবন কাটিয়েছেন সেই সময় বহু মহিলারা, বিশেষত ব্রাহ্ম মহিলারা পর্দা প্রথা ভেঙে বিদ্যা শিক্ষা শুরু করেছিলেন। বৃহত্তর সমাজের স্ত্রীলোকেদের অবস্থান নিচুতে ছিল। তার প্রমাণ দাশগুপ্তের আত্মজীবনী।
ঊনবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষিত পুরুষ মানুষেরা বিভিন্ন সংস্কার আন্দোলন করে। স্ত্রীলোকদের অবস্থার উন্নতির চেষ্টা করেছিলেন। তখন কিছু সংখ্যক স্ত্রীলোক আত্মজীবনী লিখে ছোট ছোট পারিবারিক ঘটনার মধ্যে তাদের বঞ্চনার শোষণ ও পীড়নের কথা লিখেছেন।
পরিবারের মধ্যে যে লিঙ্গ বৈষম্য ছিল তা প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে আমাদের গণতান্ত্রিক দেশের সংবিধানে নারী ও পুরুষের অধিকার গুলি সমান বলে লিখিত আছে। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। প্রতিভা বসুর "জীবনের জলছবি" নাম দিয়ে নিজের জীবন কাহিনী লিখেছেন। তিনি নিজের কথা লিখতে গিয়ে বলেছেন, "যে কোন কর্ম প্রফেশন হিসেবে না নিলে সেটা বেঁচে থাকে না। মেয়েদের জীবনে এটা খুব বেশি করে দেখা যায়, বিয়ের আগে একটি মেয়ে হয়তো উৎকৃষ্ট নাচিয়ে ছিল, বিয়ে হল তো সব গেল । উৎকৃষ্ট গাইয়ে ছিল তো তাও গেল। বাবা মা কত যত্ন করে লেখালেন পড়ালেন। মেয়েটি হয়তো প্রচন্ড মেধাবী। হল ব্যাস কোথায়? তলিয়ে গেল সেই মেধা।" (পৃষ্ঠা ১৭৪)
নির্দেশিকা
২) যশোধরা
বাগচী ' কোন আলোতে প্রাণের প্রদীপ
জ্বালায়,' স্মৃতি মঞ্জুষা - প্রিয়বালা গুপ্তা, দেজ পাবলিশিং , ১৯৯৯ , পৃষ্ঠা ৮।
৩) প্রতিভা বসু - 'জীবনের জলছবি' আনন্দ পাবলিশার্স
প্রাইভেট লিমিটেড, বৈশাখ ১৪০০ ,পৃষ্ঠা ১৭৮ ।
৪)
শুক্লা বসু , 'প্রতিবিম্বে প্রতিবাদ,'
সম্পাদক
কৃষ্ণা বন্দোপাধ্যায় খোঁজ - ফেব্রুয়ারী- অক্টোবর ১৯৯৭, ২য় বর্ষ
৩য় সংখ্যা
।
৫)
শুক্লা বসু, ' কুলিন কন্যা ,'
সম্পাদক
কৃষ্ণা বন্দোপাধ্যায় খোঁজ .
জানুয়ারী ,১৯৯৭,
৪ য় বর্ষ
।
Comments
Post a Comment